বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সুনামগঞ্জের বাদাঘাট বাজারে মেইকার পরিবারের উপর হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন মামলাবাজ ঘুষখোরের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন। সুনামগঞ্জে বজ্রপাতের তাণ্ডব: ২ জনের মৃত্যু, শান্তিগঞ্জে আহত ৩ শান্তিগঞ্জে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরী সভা অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে এম এ মান্নান প্রাথমিক মেধা বৃত্তির পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন সমন্বিত প্রচেষ্টায় শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব: এমপি কয়ছর আহমদ একদিনের দাওরাই সফর রাজাপুর-কাঠালিয়ার রাজনীতির অগ্নিপুরুষ: রাজপথ থেকে গণমানুষের হৃদয়ে হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা নকলায় ১০৪৯৭ পরিবারের মাঝে টিসিবি’র পণ্য বিক্রি সুনামগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা

তিন বছরেও হয়নি ড্রেইন নির্মাণ, আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি

সুনাম দিগন্ত ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশ শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে
৭৩

জাহিদুল ইসলাম, জৈন্তাপুর প্রতিনিধি::

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের পশ্চিম ঠাকুরের মাটি গ্রামের কবরস্থান সংলগ্ন মেইন রাস্তার পাশে মাটি ভরাট করে নির্মাণ করা হয়েছে একাধিক প্লট ও স্থাপনা। তবে পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না করায় বিগত তিন বছর ধরে ওই এলাকার অন্তত ২০টি পরিবার চরম দুর্ভোগে জলাবদ্ধতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অভিযোগ , ১০টি প্লটে মাটি ফেলে উঁচু করে গড়ে তোলা হয়েছে ভবনের ভিত্তি, কিন্তু ড্রেইনেজ ব্যবস্থা গড়ে না তোলায় বর্ষাকালে সামান্য বৃষ্টি দিলেই পরিস্থিতি হয়ে ওঠে ভয়াবহ। জলাবদ্ধতায় পুকুরের মাছ, গবাদিপশু, ফলজ ও বনজ গাছ, এমনকি ছোট ছোট চারাগাছ পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে করে ব্যপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবারগুলো। এছাড়া জমে থাকা দুর্গন্ধযুক্ত পচা পানিতে ছড়াচ্ছে মশা-মাছি ও বিভিন্ন রোগজীবাণু, যার ফলে বাড়ছে শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে রোগবালাই।

ভুক্তভোগী হওয়াহিদ মিয়াসহ একাধিক ব্যাক্তি জানান, “বর্ষাকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার কোনো রাস্তা থাকে না। ভারী বৃষ্টির সময় পানি নিষ্কাশনের জায়গা না থাকায় আমরা পুরোপুরি পানি বন্দী হয়ে পড়ি। পরিবার নিয়ে দুঃসহ অবস্থায় থাকতে হয়।”

এলাকার প্রবীণরা জানান, আগে এই জমিগুলো কৃষি ক্ষেত ছিলো প্রাকৃতিকভাবে পানির প্রবাহিত হতো, যা বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের মূল পথ ছিল। কিন্তু এখন সেসব পথ মাটি ভরাট করে নির্মাণ করা হয়েছে অট্টালিকা ও নানা ধরণের প্লট। তারা বলেন, “এসব জায়গায় পরিকল্পিতভাবে ড্রেইন তৈরি করলে এমন দুর্ভোগ হতো না।”

স্থানীয়—সাবেক ইউপি সদস্য হাফিজ আব্দুল মুছাব্বির ফরিদ, বর্তমান ইউপি সদস্য অহিদুর রহমান ও চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান চৌধুরী—বিষয়টি জানার পর বহুবার প্লট মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, কিন্তু তাতেও কোনো অগ্রগতি হয়নি।

এবিষয়ে ইউপি সদস্য অহিদুর রহমান জানান ভুক্তভুগীরা বার বার আমাদের বিষয়টি অবগত করছেন কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় প্লেটের মালিকগনদের স্থানীয় মুরব্বিসহ একাধিকবার বলার পরও ড্রেইনের কোনো ব্যবস্থা গ্রহন করেনি তারা।

ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, এতদিন এলাকার সামাজিক পরিবেশ ও সম্প্রীতির কথা বিবেচনা করে আইনি পথে না গিয়ে ধৈর্য ধরেছেন। কিন্তু এবার তারা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তারা আশাবাদী, প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরণের আরও সংবাদ
themesba-lates1749691102