
সেলিম আহম্মেদ, নিজস্ব প্রতিবেদক
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার কাকিয়াম গ্রামের বাসিন্দা ও অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ফজলুল রহিম কাজল (৫৫) গত ৭ অক্টোবর সকালে ব্যাংক থেকে টাকা তোলার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। নিখোঁজের দুই দিন পর নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের বিরামপুর উত্তরপাড়া গ্রামের কবরস্থানের একটি গাছে হেলান দেওয়া অবস্থায় তাঁর রহস্যজনক লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকাল আড়াইটার দিকে উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের বাদশাগঞ্জ বাজারে এ মানববন্ধনে আয়োজন করেন নিহত কাজলের পরিবার। আয়োজিত মানববন্ধনে দাবি করা হয়, এটি কোনো আত্মহত্যা নয়, বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ব্যাংকের কাজে বের হওয়া ফজলুল রহিম কাজলের লাশ গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় নয়, বরং গাছের ডালে বসানো ও হেলান দেওয়া অবস্থায় পাওয়া গেছে, যা হত্যাকাণ্ডের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়। দ্রুততম সময়ে সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে এর পেছনে জড়িত খুনিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান।
এতে বক্তব্য রাখেন, ধর্মপাশা উপজেলা বিএনপি-র আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও বাদশাগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি জুলফিকার আলী ভুট্টো, সেলবরষ ইউনিয়ন বিএনপির স়ভাপতি মো, আবু তাহের সোনা মিয়া, সেলবরষ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফরিদ খোকা, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সংস্কারক খায়রুল বশর ঠাকুর খান, নিহতের ভাই ফজলুল করিম বুলবুল, সেলবরষ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আহম্মদ আলী, সেলবরষ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো, নাসির উদ্দিন, তোফাজ্জল হোসেন তালুকদার, তোফাজ্জ্বল হোসেন তালুকদার প্রমুখ। মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।