শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
হাওরকন্যা ইমার জয়যাত্রা: দেশের পতাকা বুকে নিয়ে একের পর এক আন্তর্জাতিক মঞ্চে জেলার শ্রেষ্ঠ নকলার ইউএনওকে বিভিন্ন মহলের পক্ষে ফুলেল শুভেচ্ছা ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় গ্রাম আদালত বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত নকলা ইউএনও ও জালালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জেলার শ্রেষ্ঠ ধর্মপাশায় ইউনিয়ন পরিষদের জায়গা দখল করে দোকান নির্মাণের প্রতিবাদে মানববন্ধন রাষ্ট্র যখন সন্ধিক্ষণে: বাংলাদেশ, ইতিহাস, উগ্রতা ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন ভালুকা শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন তিন শব্দের সখ্যতা ঈদুল আযহার তৃতীয় দিনেও ব্রিটিশ চান্দশির কাপন ট্রাস্ট ইউ কের পক্ষ থেকে কোরবানি মাংস বিতরণ সম্পন্ন। বিশ্বনাথে সাংবাদিকদের সাথে মেয়র প্রার্থী মুজিব আহমদ মনিরের মতবিনিময়।

রাষ্ট্র যখন সন্ধিক্ষণে: বাংলাদেশ, ইতিহাস, উগ্রতা ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন

সুনাম দিগন্ত ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশ বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে
৯৭

◑ লুৎফুর রহমান বাবর

বাংলাদেশ আজ এমন এক সময়ের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে, যখন রাষ্ট্র, সমাজ, রাজনীতি এবং জাতীয় চেতনার সামনে একসঙ্গে বহু প্রশ্ন এসে দাঁড়িয়েছে। স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পর আমরা অর্থনৈতিক অগ্রগতি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিগত বিস্তারের নানা সাফল্য উদযাপন করছি; কিন্তু একই সঙ্গে রাজনৈতিক অস্থিরতা, ইতিহাস বিকৃতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ধর্মীয় উগ্রতা, মববাজি, সামাজিক অসহিষ্ণুতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অবক্ষয় নিয়েও উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছি। একটি জাতির জন্য সবচেয়ে বড় সংকট তখনই সৃষ্টি হয়, যখন তার বাহ্যিক উন্নয়ন এবং অভ্যন্তরীণ নৈতিক শক্তির মধ্যে দূরত্ব তৈরি হতে শুরু করে। বাহ্যিকভাবে সুউচ্চ ভবন, প্রশস্ত সড়ক কিংবা আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ করা সম্ভব; কিন্তু একটি জাতির বিবেক, সহনশীলতা এবং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি নির্মাণ করা অনেক বেশি কঠিন কাজ। আজকের বাংলাদেশকে বুঝতে হলে কেবল অর্থনৈতিক সূচক দিয়ে বিচার করলে চলবে না; দেখতে হবে রাষ্ট্রের আত্মা কতটা সুস্থ আছে, সমাজ কতটা মানবিক আছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কী ধরনের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার পেতে যাচ্ছে।

ইতিহাসবিদরা বলেন, কোনো জাতির সবচেয়ে বড় সম্পদ তার প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, বরং তার Collective Memory বা সম্মিলিত স্মৃতি। যে জাতি নিজের ইতিহাসকে সম্মান করতে জানে না, সে জাতি ভবিষ্যৎ নির্মাণেও ব্যর্থ হয়। ইতিহাস কেবল অতীতের ঘটনা নয়; ইতিহাস হচ্ছে একটি জাতির আত্মপরিচয়ের আয়না। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমাদের সমাজে ইতিহাসকে প্রায়ই রাজনৈতিক সুবিধার জন্য ব্যবহার করা হয়। ইতিহাসের ঘটনাগুলোকে নিরপেক্ষভাবে বিশ্লেষণ করার পরিবর্তে অনেক সময় সেগুলোকে দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করা হয়। ফলে সত্যের জায়গা দখল করে নেয় Propaganda, গবেষণার জায়গা দখল করে নেয় আবেগ এবং বাস্তবতার জায়গা দখল করে নেয় বিভ্রান্তি। মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায়। ত্রিশ লাখ শহীদের রক্ত, অসংখ্য নারীর আত্মত্যাগ এবং কোটি মানুষের সংগ্রামের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা কেবল একটি ভূখণ্ডের জন্ম নয়; এটি ছিল বাঙালি জাতির আত্মমর্যাদার পুনর্জন্ম। অথচ আজও এমন কিছু প্রবণতা দেখা যায়, যেখানে মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করার চেষ্টা করা হয়, শহীদদের আত্মত্যাগকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয় কিংবা স্বাধীনতার ইতিহাসকে সংকীর্ণ রাজনৈতিক ব্যাখ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ করার প্রয়াস চালানো হয়। এটি শুধু ইতিহাসের বিরুদ্ধে অপরাধ নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিরুদ্ধে অপরাধ। কারণ ইতিহাস বিকৃত হলে নতুন প্রজন্ম ভুল শিক্ষা পায়, আর ভুল শিক্ষা থেকে জন্ম নেয় ভুল রাষ্ট্রচিন্তা।

রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হলো মতের ভিন্নতা, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ভিন্নমতকে প্রায়ই শত্রুতা হিসেবে দেখা হয়। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং শত্রু হিসেবে বিবেচনা করার সংস্কৃতি ধীরে ধীরে গণতন্ত্রকে দুর্বল করে দেয়। পৃথিবীর উন্নত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোতে রাজনৈতিক দলগুলো নীতিগত প্রশ্নে কঠোর বিরোধিতা করলেও রাষ্ট্রীয় স্বার্থে একমত হওয়ার সংস্কৃতি গড়ে তুলেছে। কিন্তু আমাদের বাস্তবতায় রাজনৈতিক সংলাপের পরিবর্তে সংঘাত, যুক্তির পরিবর্তে স্লোগান, এবং সহনশীলতার পরিবর্তে বিদ্বেষ ক্রমেই শক্তিশালী হয়ে উঠছে। Political Polarization বা রাজনৈতিক মেরুকরণ এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে, যেখানে জনগণও দুই বিপরীত শিবিরে বিভক্ত হয়ে যায় এবং জাতীয় স্বার্থ দলীয় স্বার্থের কাছে পরাজিত হয়। ইতিহাস সাক্ষী, গণতন্ত্রের পতন অনেক সময় সামরিক শক্তির মাধ্যমে নয়, বরং রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতার মাধ্যমেই ঘটে।

এই রাজনৈতিক সংকটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির সংস্কৃতি। একটি রাষ্ট্র তখনই শক্তিশালী হয়, যখন সাধারণ নাগরিক নিরাপদ বোধ করে এবং একজন উদ্যোক্তা নিশ্চিন্তে বিনিয়োগ করতে পারে। কিন্তু যখন কোনো ব্যবসায়ীকে রাজনৈতিক পরিচয় ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা করতে ভয় পেতে হয়, যখন বাজার, পরিবহন, নির্মাণ কিংবা বিভিন্ন খাতে চাঁদাবাজির অভিযোগ শোনা যায়, তখন সেটি কেবল অর্থনৈতিক সমস্যা নয়; এটি রাষ্ট্রীয় ন্যায়বিচারের সংকট। চাঁদাবাজি আসলে এক ধরনের Economic Extortion, যা মানুষের অর্থের পাশাপাশি তার আত্মবিশ্বাসও কেড়ে নেয়। একজন তরুণ উদ্যোক্তা যখন ঘুষ, প্রভাব কিংবা চাঁদার ভয়ে নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারে না, তখন ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুরো জাতি। কারণ উন্নয়ন শুধু বড় প্রকল্প দিয়ে হয় না; উন্নয়ন হয় মানুষের সৃজনশীলতা ও উদ্যোগের বিকাশের মাধ্যমে।

আরও উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে ধর্মীয় উন্মাদনার বিস্তার। ধর্ম মানুষের আত্মিক শান্তির উৎস, নৈতিকতার পথপ্রদর্শক এবং মানবিকতার শিক্ষা দেয়। কিন্তু ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে, ধর্মকে যখন রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তখন তা ভয়াবহ সামাজিক অস্থিরতার জন্ম দেয়। মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘ সংঘাত, আফগানিস্তানের ট্র্যাজেডি কিংবা দক্ষিণ এশিয়ার সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ইতিহাস আমাদের সেই শিক্ষা দেয়। বাংলাদেশের সংবিধান ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেয় এবং সকল নাগরিকের সমান মর্যাদার কথা বলে। কিন্তু যদি ধর্মের নামে ঘৃণা ছড়ানো হয়, সংখ্যালঘুদের ভয় দেখানো হয়, কিংবা ভিন্নমতকে ধর্মদ্রোহিতার অভিযোগে দমন করার চেষ্টা করা হয়, তবে তা শুধু সংবিধানের বিরোধী নয়; এটি মানবতারও বিরোধী। ধর্মীয় উগ্রতা কখনোই ধর্মকে শক্তিশালী করে না; বরং ধর্মের সৌন্দর্য ও মানবিক বার্তাকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরেকটি ভয়ংকর প্রবণতা দৃশ্যমান হয়েছে—মববাজি বা Mob Justice। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি গুজব ছড়িয়ে পড়ল, আর মুহূর্তের মধ্যে একদল মানুষ আইন নিজের হাতে তুলে নিল। কোনো তদন্ত নেই, কোনো বিচার নেই, কোনো প্রমাণ নেই—শুধু আবেগ, উত্তেজনা এবং গণহিস্টিরিয়া। সভ্য সমাজে এর চেয়ে ভয়ংকর প্রবণতা আর কিছু হতে পারে না। কারণ আইনের শাসনের মূল দর্শন হলো—একজন অপরাধী শাস্তি এড়িয়ে যাক, তবুও একজন নিরপরাধ যেন শাস্তি না পায়। কিন্তু মববাজির সংস্কৃতিতে নিরপরাধ মানুষের জীবন, সম্মান এবং নিরাপত্তা মুহূর্তেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। এই প্রবণতা কেবল আইনের শাসনকে দুর্বল করে না; এটি রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থাও নষ্ট করে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন আমাদের শেখায় যে প্রত্যেক মানুষ মর্যাদা, স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচারের অধিকার নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। জাতিসংঘের Universal Declaration of Human Rights এবং International Covenant on Civil and Political Rights স্পষ্টভাবে বলেছে যে প্রত্যেক মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার আছে, মতপ্রকাশের অধিকার আছে এবং আইনের সমান সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার আছে। কিন্তু যখন রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক অবস্থান কিংবা ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে মানুষের অধিকার ভিন্নভাবে মূল্যায়িত হয়, তখন মানবাধিকারের মূল দর্শনই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। মানবাধিকার কেবল পশ্চিমা বিশ্বের কোনো ধারণা নয়; এটি মানব সভ্যতার অর্জিত এক সার্বজনীন নৈতিক চুক্তি।

বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে আলোচনা করতে গেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবও বিবেচনায় নিতে হবে। আজ তথ্যের বিস্তার আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে দ্রুত। কিন্তু তথ্যের সঙ্গে সঙ্গে বিভ্রান্তিও ছড়াচ্ছে দ্রুতগতিতে। Fake News, Misinformation এবং Disinformation এখন রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। অনেক মানুষ খবর যাচাই না করেই বিশ্বাস করছে, শেয়ার করছে এবং প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। ফলে জনমত অনেক সময় বাস্তবতার পরিবর্তে গুজব দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতি।

বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে—আমরা কি উন্নয়নকে কেবল অবকাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখব, নাকি গণতন্ত্র, মানবাধিকার, শিক্ষা এবং নৈতিকতার উন্নয়নও নিশ্চিত করব? একটি জাতির প্রকৃত শক্তি তার সেতু, মহাসড়ক কিংবা সুউচ্চ ভবনে নয়; তার শক্তি নিহিত থাকে আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা, মুক্ত গণমাধ্যম এবং সচেতন নাগরিক সমাজে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা বলেন, “Strong institutions create strong nations.” ব্যক্তি নয়, প্রতিষ্ঠানই একটি জাতিকে দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখে।

ভবিষ্যতের বাংলাদেশ কেমন হবে, তার উত্তর নির্ভর করছে আজকের সিদ্ধান্তের উপর। যদি আমরা ইতিহাসকে সম্মান করি, ভিন্নমতকে শ্রদ্ধা করি, ধর্মকে মানবিকতার আলোকে দেখি, আইনের শাসনকে শক্তিশালী করি এবং তরুণ প্রজন্মকে সমালোচনামূলক চিন্তার শিক্ষা দিই, তবে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম উদার ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে। কিন্তু যদি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, ইতিহাস বিকৃতি, উগ্রতা, মববাজি এবং চাঁদাবাজির সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হয়, তবে উন্নয়নের অর্জনও দীর্ঘস্থায়ী হবে না।

বাংলাদেশ আজ যেন এক বিশাল নদীর মোহনায় দাঁড়িয়ে থাকা নৌকা। সামনে একাধিক পথ। একটি পথ নিয়ে যায় আলোকিত গণতন্ত্র, সামাজিক সম্প্রীতি এবং মানবিক রাষ্ট্রের দিকে। অন্য পথ নিয়ে যায় বিভক্তি, উগ্রতা এবং অস্থিরতার দিকে। ইতিহাসের প্রতিটি প্রজন্মের মতো আমাদের প্রজন্মকেও একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমরা কি ঘৃণার রাজনীতি বেছে নেব, নাকি সহাবস্থানের সংস্কৃতি? আমরা কি ইতিহাসকে বিকৃত করব, নাকি সত্যকে সম্মান করব? আমরা কি আইনের শাসনে বিশ্বাস করব, নাকি জনতার বিচারে? আমরা কি ধর্মকে মানবতার আলো হিসেবে দেখব, নাকি রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করব?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তরই নির্ধারণ করবে আগামী বাংলাদেশের মুখ। কারণ রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ কোনো একক নেতা, দল বা গোষ্ঠী নির্ধারণ করে না; রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে তার নাগরিকদের সম্মিলিত বিবেক। আর সেই বিবেক যদি সত্য, ন্যায়, মানবিকতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পক্ষে দাঁড়াতে পারে, তবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ এখনও আশাব্যঞ্জক, এখনও সম্ভাবনাময়, এখনও স্বপ্ন দেখার মতো উজ্জ্বল।

লেখক: সোশ্যাল একটিভিস্ট ও বিশ্লেষক,সাবেক প্রভাষক,লালাবাজার দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরণের আরও সংবাদ
themesba-lates1749691102