বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জামালগঞ্জে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত, অপরাধ দমনে জোর ঝিকরগাছায় শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ৬ নভেম্বর। সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে শান্তিগঞ্জে মানববন্ধন উন্নত ও বৈষম্যহীন ভাটিপাড়া ইউনিয়ন গড়তে কাজ করে যাব—নিয়াজ মাহমুদ রিপন শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা শান্তিগঞ্জে প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শান্তিগঞ্জে মহামায়া যুব সংঘের উদ্যোগে গুরুজন সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ সুনামগঞ্জে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা সম্পন্ন, সুরমা নদীতে প্রতিমা বিসর্জন সুনামগঞ্জে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তুলে ধরতে FIVDB-RAISE প্রকল্পের কমিউনিটি আউটরিচ সভা অনুষ্ঠিত

জগন্নাথপুরের আলোচিত সাড়ে ৩ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায় ইয়াকুব ও তার ভাই ইসমাইল জেল হাজতে

সুনাম দিগন্ত ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশ বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৮৫ বার পড়া হয়েছে
৬২১

এমএ কাশেম চৌধুরী:

জগন্নাথপুরের বহুল আলোচিত সাড়ে ৩ কোটি টাকা প্রতারণা মামলায় ইয়াকুব ও তার ভাই ইসমাইলকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন আদালত- এর আগে সি আইডি তদন্ত রিপোর্ট গতকাল ৮ জুলাই আদালতে দাখিল করেন।
আজ ৯ জুলাই তারা দুই ভাই কোর্টে হাজিরা দিতে গেলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ দেন।
আসামী ইয়াকুব ও তার ভাই ইসমাইল জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর গোয়ালগাও গ্রামের মৃত আরজু মিয়ার ছেলে।

মামলাটি তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ ত্রুটি তুলে ধরে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন সুনামগঞ্জের দায়রা জজ আদালত। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, মামলার অন্যতম আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এনামুল হাসানের দুই ভাই ইয়াকুব ও ইসমাইলের সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে এলেও তদন্তকারী কর্মকর্তা তাদের অভিযোগপত্রে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেননি।

ফৌজদারি রিভিশন মামলা নং-৮৮/২০২০-এর রায়ে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত দায়রা জজ ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার ২০২১ সালের ২৫ অক্টোবর জগন্নাথপুর থানার জি.আর. মামলা নং-৭৭/২০১৯-এ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের ৪ নভেম্বর ২০২০ সালের আদেশ বাতিল করেন। একই সঙ্গে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডির কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, মামলার আসামি হাফিজ কামরুল ইসলাম ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেন, প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়া অর্থের বিষয়ে এনামুল হাসানের ভাই ইসমাইল ও ইয়াকুব অবগত ছিলেন। আদালতের মতে, এই তথ্য তদন্তে উঠে আসার পরও তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়া তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাটতি।

আদালত আরও বলেন, মামলার অভিযোগের প্রকৃতি বিবেচনায় দণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারার পাশাপাশি ১০৯ ধারা সংযুক্ত করার বিষয়টিও তদন্তকারী কর্মকর্তা বিবেচনা করেননি। এছাড়া আত্মসাৎ হওয়া প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার কোনো অংশ উদ্ধার না হওয়া এবং সেই অর্থ দিয়ে কেনা হয়েছে বলে অভিযোগ থাকা জমির দলিল আলামত হিসেবে জব্দ না করাকেও তদন্তের দুর্বলতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

মামলার বাদী মাওলানা ইমরান আহমদ অভিযোগ করেন, অলৌকিকভাবে বিপুল অর্থ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। তদন্ত শেষে পিবিআই অভিযোগপত্র দাখিল করলে তিনি নারাজি আবেদন করেন। পরে সেই আবেদন খারিজ হলে তিনি দায়রা জজ আদালতে ফৌজদারি রিভিশন মামলা দায়ের করেন।

সব দিক বিবেচনা করে আদালত মন্তব্য করেন, ন্যায়বিচারের স্বার্থে মামলাটির অধিকতর তদন্ত প্রয়োজন। সেই কারণে নিম্ন আদালতের পূর্বের আদেশ বাতিল করে সিআইডিকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরণের আরও সংবাদ
themesba-lates1749691102