
শেরপুরের নকলা উপজেলার দুই কৃতি সন্তান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উপসচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। তাঁরা হলেন, উপজেলার বানেশ্বরদী ইউনিয়নের বানেশ্বরদী কান্দাপাড়া এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামানের ছেলে রাফিকুজ্জামান (রায়হান) ও চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের চরমধুয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদের ছেলে এ.কে.এম আবদুল্লাহ-বিন-রশিদ (শিপন)। তাঁরা বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ৩১তম ব্যাচের কর্মকর্তা।
১৭ আগস্ট সোমবার সারা দেশের ২৭৭ জন সিনিয়র সহকারী সচিবকে সরকারের উপসচিব পদে পদোন্নতি দেওয়ার বিষয়ে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে। এদিকে ১৯ আগস্ট বুধবার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে উপসচিব পদে পদোন্নতি প্রাপ্তদের মধ্যে ১১২ জনকে বিভিন্ন দপ্তরে পদায়ন করা হয়েছে। বুধবার প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন মোতাবেক জানা গেছে, রাফিকুজ্জামান (রায়হান)-কে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে।
তথ্য মতে, রাফিকুজ্জামান (রায়হান) ১৯৯৯ সালে নকলা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। তাঁর বাবা মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামান (বদ্দি স্যার) উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বানেশ্বরদী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন। তিনি শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবক বান্ধব সর্বজন গৃহীত একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।
এছাড়া, এ.কে.এম আবদুল্লাহ-বিন-রশিদ (শিপন) বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদের তিন ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে সবার ছোট সন্তান। সে জামালপুর জেলা প্রশাসন’র অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তারা পাঁচ ভাই-বোন সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত আছেন বলে জানা গেছে।
নিষ্ঠার সহিত দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে নিজেকে দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন এমনটাই প্রত্যাশা উপসচিব পদে সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্তদের পরিবার-পরিজন, শিক্ষক ও বন্ধু-বান্ধসহ শুভাকাঙ্খিদের। তাঁদের সততা, নিষ্ঠা ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে নকলার সুনাম দেশব্যপি ছড়িয়ে পড়বে বলে উপজেলাবাসীর দৃঢ় বিশ্বাস। এমন বিশ্বাসের জায়গা থেকেই অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের জন্য দোয়া ও শুভ কামনাসহ অভিনন্দন জানিয়েছেন।
মেধা, সততা, বিচক্ষণতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও কর্মদক্ষতার অপূর্ব সংমিশ্রণে নিজের কর্মস্থল তথা তাদের উপর অর্পিত সরকারি দায়িত্ব ন্যায়-নিষ্ঠার সাথে পালনের মাধ্যমে দেশ ও জাতির জন্য যেন কল্যাণকর হয়; এরজন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন তাদের পরিবারের লোকজন, শিক্ষক ও বন্ধু-বান্ধবসহ শুভাকাঙ্খিরা।