বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সুনামগঞ্জের হালুয়ারঘাট এলাকায় সাংবাদিকতার পরিচয়ে হাসান আলীর বিরুদ্ধে চাদাঁবাজির অভিযোগে এলাকাবাসির মানববন্ধন বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে ধর্মপাশায় র্যালি ও আলোচনা সভা যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জামালগঞ্জে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত, অপরাধ দমনে জোর ঝিকরগাছায় শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ৬ নভেম্বর। সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে শান্তিগঞ্জে মানববন্ধন উন্নত ও বৈষম্যহীন ভাটিপাড়া ইউনিয়ন গড়তে কাজ করে যাব—নিয়াজ মাহমুদ রিপন শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা শান্তিগঞ্জে প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শান্তিগঞ্জে মহামায়া যুব সংঘের উদ্যোগে গুরুজন সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ

১৩৩ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করেছে ধোবাউড়া থানার পুলিশ

সুনাম দিগন্ত ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশ বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
২৫৪

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার ঘোষগাঁও এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ঘোষগাঁও বাজারের পাশে এক ধানক্ষেত থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় আমদানী নিষিদ্ধ ১৩৩ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে থানার পুলিশ। রাত্রীকালীন কিলো-১২ ডিউটি, বাজার ডিউটি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ভোরে এসব উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘোষগাঁও এলাকার জামাল হোসেনের ছেলে মোখলেছ উদ্দিনের বাড়ির সামনের পুকুরপাড় সংলগ্ন ধানক্ষেত থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় আমদানী নিষিদ্ধ ১৩৩ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করে ধোবাউড়া থানার পুলিশ।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন সরকার-এর দিকনির্দেশনা মোতাবেক এসআই সাইফুল ইসলাম, এএসআই মনিরুজ্জামান ও পুলিশ সদস্য মোতাহার হোসেনসহ সংঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে এসব উদ্ধার করতে সমর্থ হয়।

ওসি আল মামুন সরকার জানান, আমদানী নিষিদ্ধ উদ্ধারকৃত বিদেশী মদ জব্দ করে থানায় হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।

তথ্য রয়েছে, মাদক বিষয়ে ওসি আল মামুন সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির ফাঁদে পড়ে মাদককারবারীরা বেকায়দায় রয়েছে। তাই তারা সুবিধা পেতে সংশ্লিষ্ট থানায় কর্মরত চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা ও পরিশ্রমী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কার্যালয়ে ডাক যোগসহ বিভিন্ন কৌশলে বেনামে অভিযোগ দিয়ে আসছে। যদিও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিষয়টি মাদককারবারীদের সুবিধা পেতে বিশেষ কৌশল হিসেবেই বিবেচনা করছেন বলে মনে করছেন সুশীলজন। মাদককারবারীদের বেনামীয় কৌশলী অভিযোগের ভিত্তিতে চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা ও পরিশ্রমী পুলিশ সদস্যদের কর্মপরিধি সীমিত করে দিলে বা অন্যত্র বদলী করা হলে মাদককারবারীরা বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন তারা। এতে যুব সমাজের উপর মাদক সংশ্লিষ্ট বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরণের আরও সংবাদ
themesba-lates1749691102