শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
নকলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্থায়ী ভবন না হওয়া পর্যন্ত বিকল্প ব্যবস্থা জরুরি নকলায় সিজি সদস্যদের নিয়ে ওরিয়েন্টেশন ও কর্মপরিকল্পনা তৈরী সভা নকলায় সার বিতরণ ব্যবস্থাপনাসহ কৃষি বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন ইবতেদায়ী শিক্ষার্থীদের জন্যও চালু করা হোক মিড-ডে মিল শান্তিগঞ্জে ‘আমার সংস্কৃতি, আমার অহংকার’ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ প্রবাসী জুলাই যোদ্ধা আলী আহমদের পরিবারের পাশে বিএনপি-যুবদল নেতারা দাসপাড়ায় গভীর রাতে যুবদল নেতা জসিমের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা নকলায় শতভাগ উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দীপনা পুরষ্কার প্রদান ভূমি-সচেতন প্রজন্ম গড়তে পাঠ্যবইয়ে ভূমিশিক্ষা অন্তর্ভুক্তি এখন সময়ের অনিবার্য দাবি নকলায় সোমবার রাত থেকে নিখোঁজ ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী সন্ধ্যা

ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণ: নেত্রকোণায় ১১ বছরের শিশুসন্তানের বাবা সেই মাদ্রাসা শিক্ষক

সুনাম দিগন্ত ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশ সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৯২ বার পড়া হয়েছে
১৩৩

মহিউদ্দিন, জেলা প্রতিনিধি, নেত্রকোণা,

নেত্রকোণার মদনে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া কন্যাশিশুর জৈবিক বাবা হিসেবে মামলার আসামি মাদ্রাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরই শনাক্ত হয়েছেন। রাসায়নিক ও ডিএনএ (DNA) পরীক্ষার প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর তা আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে।

​সোমবার (২৪ আগস্ট) নেত্রকোণার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদনটি জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবীর রুবেল। তিনি জানান, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রস্তুত করা ডিএনএ প্রতিবেদনে নবজাতকের জৈবিক পিতা হিসেবে অভিযুক্ত সাগরের নাম উঠে এসেছে।
​পটভূমি: প্রায় চার বছর আগে আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগর মদন উপজেলায় একটি মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি নানা বাড়িতে থেকে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত।

​ঘটনা প্রকাশ: চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল শিশুটিকে অসুস্থ অবস্থায় মদনের একটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক জানান যে সে অন্তঃসত্ত্বা। ​মামলা ও গ্রেপ্তার: ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে মদন থানায় মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ৬ মে ময়মনসিংহের গৌরীপুর এলাকা থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। ​শিশুর সুরক্ষা ও সন্তান প্রসব: আদালতের নির্দেশে ১২ মে শিশুটিকে সিলেট সমাজসেবা অধিদপ্তরের সেফ হোমে পাঠানো হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিচর্যার মাধ্যমে গত ২ জুলাই সে একটি সুস্থ কন্যাশিশুর জন্ম দেয়। আদালতের অনুমতি নিয়ে ২৮ জুলাই সিআইডি নবজাতকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠায়।
​মামলাটির বিচারকার্য দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আশা প্রকাশ করেন, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে এই চাঞ্চল্যকর মামলার আইনি প্রক্রিয়া ও বিচার শেষ করা সম্ভব হবে।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরণের আরও সংবাদ
themesba-lates1749691102