
শেরপুরের নকলায় ব্র্যাকের সহযোগিতায় এবং স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির বাস্তবায়িত পার্টনারশীপ রিইনফোর্সমেন্ট ফর ইন্টিগ্রেটেড স্কিলস এনহ্যান্সমেন্ট (প্রাইজ)/ “সমন্বিত দক্ষতা উন্নয়নের জন্য অংশীদারিত্ব জোরদারকরণ” প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত ৮টি ট্রেডের প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী আত্মনির্ভরশীল ও কর্মমুখী দক্ষ যুবসমাজের নতুন কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানে সফলতা পরিদর্শন করা হয়েছে।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে আত্মনির্ভরশীল ও কর্মমুখী দক্ষ যুবসমাজের নতুন কর্মসংস্থান পরিদর্শন করেন ব্র্যাকের পার্টনারশিপ রিইনফোর্সমেন্ট ফর ইন্টিগ্রেটেড স্কিলস এনহ্যান্সমেন্ট (প্রাইজ-এসডিপি) প্রকল্পের জোনাল ম্যানেজার এ.কে আফজাল হোসাইন। এ.কে আফজাল হোসোইনের কর্মস্থল সিলেটের শ্রীমঙ্গলে হলেও তিনি সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রাইজ প্রকল্পের সার্বিক বিষয়াবলী দেখভাল করেন।
পরিদর্শনকালে তার সাথে ছিলেন, ব্র্যাকের জেলা ব্যবস্থাপক চিন্ময় রায়, নকলা শাখার প্রকল্প সংগঠক মো. নূর হোসেন, প্রকল্পের এমসিপি সদস্য ও প্রশিক্ষণার্থীসহ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অনেকে। পরিদর্শন শেষে সার্বিক মূল্যায়নে আফজাল হোসাইন সন্তুষ প্রকাশ করেন।
প্রকল্প সংগঠক মো. নূর হোসেন জানান, প্রাইজ প্রকল্পের আওতায় নকলা উপজেলায় ৮টি ট্রেডে মোট ৫০ জন নর-নারী প্রশিক্ষণার্থী ৬ মাস (৩৬০ ঘন্টা) ব্যাপি এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে কে কে কর্মসংস্থান খোঁজে পেয়েছেন বা নিজেই নিজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছেন; তা জরিপ করাই ছিলো এই পরিদর্শনের প্রধান লক্ষ্য-উদ্দেশ্য। তিনি আরো জানান, আগামী মাস থেকে নকলায় এই প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করা হবে।
তথ্য মতে, এই প্রকল্পের আওতায় দেশের ১০টি উপজেলায় প্রতিটিতে ৫০ জন করে মোট ৫০০ জন যুব নর-নারী প্রশিক্ষণার্থী বিভিন্ন কর্মমুখী দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছিলো। এরমধ্যে নকলার ৫০ জন যুবক ও যুবনারী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। তাদের অধিকাংশরাই দক্ষতা মোতাবেক কর্মসংস্থান খোঁজে পেয়েছেন, অনেকে প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে নিজেই নিজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন।