বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
শান্তিগঞ্জে ২০০৬ সালের লগি-বৈঠার আঘাতে শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য-পুষ্টি উন্নয়নে কর্মশালা সুনামগঞ্জের হালুয়ারঘাট এলাকায় সাংবাদিকতার পরিচয়ে হাসান আলীর বিরুদ্ধে চাদাঁবাজির অভিযোগে এলাকাবাসির মানববন্ধন বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে ধর্মপাশায় র্যালি ও আলোচনা সভা যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জামালগঞ্জে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত, অপরাধ দমনে জোর ঝিকরগাছায় শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ৬ নভেম্বর। সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে শান্তিগঞ্জে মানববন্ধন উন্নত ও বৈষম্যহীন ভাটিপাড়া ইউনিয়ন গড়তে কাজ করে যাব—নিয়াজ মাহমুদ রিপন শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা

আজ ৪ ডিসেম্বর ঝিনাইগাতী মুক্ত দিবস

সুনাম দিগন্ত ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশ বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৮৯ বার পড়া হয়েছে
১৭১

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আজ ৪ ডিসেম্বর, শেরপুরের ঝিনাইগাতী মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মিত্র বাহিনীর সহযোগিতায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাক-হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে ঝিনাইগাতী অঞ্চলকে শক্রমুক্ত করেন।

বিভিন্ন তথ্য মতে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ টেলিগ্রামে স্বাধীনতা ঘোষণার একটি বার্তা পৌঁছায় ঝিনাইগাতী ভিএইচএফ ওয়ারলেস অফিসে। পরদিন স্থানীয় ছাত্রনেতা ফকির আব্দুল মান্নান বার্তাটি পৌঁছে দেন শেরপুর সংগ্রাম পরিষদ নেতৃবৃন্দের হাতে।

১৯৭১-এর ২৫ মার্চ কাল রাতে যখন ঢাকার বুকে হত্যাযজ্ঞে ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি বাহিনী, সেই রাতেই ৩টা ৪৫ মিনিটে স্বাধীনতার ঘোষণার টেলিগ্রাম মেসেজ ঝিনাইগাতী ভিএইচএফ ওয়্যারলেস অফিসে পৌঁছে। শুরু হয় প্রতিরোধ সংগ্রাম। যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসেবে ঝিনাইগাতীর রাংটিয়া পাতার ক্যাম্পে বাঙ্গালী যুবকদের প্রশিক্ষণ ক্যাম্প খোলা হয়।

প্রশিক্ষণ শেষে এসব মুক্তিযোদ্ধারা ও ইপিআর সৈনিকদের নিয়ে সুবেদার হাকিম মধুপুরে প্রতিরোধ গড়ে তুলেন। কিন্তু হানাদার বাহিনীর ভারী অস্ত্রের সামনে টিকতে না পেরে ২৬ এপ্রিল ভারতে আশ্রয় নেন তারা।

এরপর আবার ২৩ আগস্ট তাওয়াকুচা ক্যাম্পের পাক বাহিনীকে লক্ষ্য করে মুক্তিযোদ্ধারা ব্যাপক আক্রমণ চালায়। আর এতে সফলতা পায় ও ক্যাম্প দখল করে নেয় মুক্তিযোদ্ধারা। ৩ আগস্ট নকশী পাকিস্তানী ক্যাম্প আক্রমণ করে মুক্তিযোদ্ধারা। ওই সম্মুখ যুদ্ধে পাক বাহিনীর ৩৫ জন সদস্য নিহত হয়। ২৭ নভেম্বর কমান্ডার জাফর ইকবালের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা ঝিনাইগাতী বাজারের রাজাকার ক্যাম্প দখল করেন। ওই সময় ৮ রাইফেলসহ ৮ রাজাকারকে আটক করে তারা।

এভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের উপর্যুপরি আক্রমণে হানাদার বাহিনী দিশেহারা হয়ে পড়ে। অবশেষে কামালপুর দুর্গ পতনের আগাম সংবাদ পেয়ে ৩ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক দেড়টায় ঝিনাইগাতীর শালচুড়া ক্যাম্পের পাকিস্তানী বাহিনী পিছু হটে। এরপর আহমদ নগর পাকিস্তানী হেডকোয়ার্টারের সৈনিকদের সঙ্গে নিয়ে রাতেই মোল্লাপাড়া ক্যাম্প গুটিয়ে শেরপুর শহরে আশ্রয় নেয়। আর এভাবেই বিনাযুদ্ধে ঝিনাইগাতী শক্রমুক্ত হয়। ৪ ডিসেম্বর ভোরে বীর মুক্তিযোদ্ধারা মুক্ত ঝিনাইগাতীতে প্রবেশ করে স্বাধীন বাংলার পতাকা উড়ায়।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরণের আরও সংবাদ
themesba-lates1749691102