বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
শান্তিগঞ্জে ২০০৬ সালের লগি-বৈঠার আঘাতে শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য-পুষ্টি উন্নয়নে কর্মশালা সুনামগঞ্জের হালুয়ারঘাট এলাকায় সাংবাদিকতার পরিচয়ে হাসান আলীর বিরুদ্ধে চাদাঁবাজির অভিযোগে এলাকাবাসির মানববন্ধন বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে ধর্মপাশায় র্যালি ও আলোচনা সভা যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জামালগঞ্জে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত, অপরাধ দমনে জোর ঝিকরগাছায় শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ৬ নভেম্বর। সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে শান্তিগঞ্জে মানববন্ধন উন্নত ও বৈষম্যহীন ভাটিপাড়া ইউনিয়ন গড়তে কাজ করে যাব—নিয়াজ মাহমুদ রিপন শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা

নকলায় ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ বন্ধ: অভিভাবকের নিকট মুচলেকা নিয়ে ক্ষমা

সুনাম দিগন্ত ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশ সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১০৪ বার পড়া হয়েছে
১৬০

নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি:

শেরপুরের নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলমের হস্তক্ষেপে ৯ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেলো। স্কুল পড়–য়া অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিক্ষার্থীর বাবার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার নড়াইল ইউনিয়নের খরমাবাজার এলাকা। সে শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার টালকী ইউনিয়নের টালকী পশ্চিমপাড়া নানার বাড়ি থেকে স্থানীয় এক উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করতো।

অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিক্ষার্থীর বিবাহের আয়োজন করার দায়ে কোন প্রকার দন্ডাদেশ নাদিয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও এলাকাবাসীর অনুরোধে মানবিক বিবেচনায় বর-কনের অভিভাবকের নিকট মুচলেকা নিয়ে ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, নকলা উপজেলার ধুকুড়িয়া গ্রামের মৃত রুস্তমের ছেলে আবু বকর সিদ্দিক (২০) এর সাথে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বিবাহের প্রস্তুতি চলছে, এমন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স নিয়ে বিয়ে বাড়িতে হাজির হন। পরে মেয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক তথা ১৮ বছর হওয়ার আগে বিবাহ দিবেন না মর্মে মেয়ের অভিভাবকের নিকট এবং অপ্রাপ্ত মেয়েকে বিবাহ করাবেন না মর্মে বরের অভিভাবকের নিকট মুচলেকা নেওয়া হয়।

এছাড়া বরের অভিভাবকদের হুশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়, ছেলের বিয়ে ঠিক করার আগে কনের জন্ম নিবন্ধন সনদ বা জাতীয় পরিচয়পত্র বা শিক্ষাগত যোগ্যতার কাগজপত্র দেখে বয়স সম্পর্কে জেনে নেওয়া জরুরি। পরবর্তীতে এলাকায় কেউ যেন তাদের ছেলে বা মেয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক তথা ১৮ বছর হওয়ার আগে বিবাহ দিতে না পারেন এর জন্য সবাইকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে বলা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসের ৩০ তারিখে নকলাকে জেলার প্রথম বাল্যবিবাহ মুক্ত উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। অতএব, এ উপজেলায় বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটলে কোন ক্রমেই তা বরদাস্ত করা হবে না বলে হুশিয়ার করেন ইউএনও। প্রয়োজনে বাল্যবিবাহ সংশ্লিষ্ট পরিবারের অভিভাবক, বর, আয়োজক ও নিকাহ রেজিষ্ট্রার (কাজী)-দেরকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি। বাল্যবিবাহ নিরোধ ও বন্ধে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটির সংশ্লিষ্টরা সদা তৎপর রয়েছেন বলেও জানান ইউএনও জাহাঙ্গীর আলম।

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরণের আরও সংবাদ
themesba-lates1749691102