বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জামালগঞ্জে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত, অপরাধ দমনে জোর ঝিকরগাছায় শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ৬ নভেম্বর। সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে শান্তিগঞ্জে মানববন্ধন উন্নত ও বৈষম্যহীন ভাটিপাড়া ইউনিয়ন গড়তে কাজ করে যাব—নিয়াজ মাহমুদ রিপন শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা শান্তিগঞ্জে প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শান্তিগঞ্জে মহামায়া যুব সংঘের উদ্যোগে গুরুজন সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ সুনামগঞ্জে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা সম্পন্ন, সুরমা নদীতে প্রতিমা বিসর্জন সুনামগঞ্জে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তুলে ধরতে FIVDB-RAISE প্রকল্পের কমিউনিটি আউটরিচ সভা অনুষ্ঠিত

যে পুড়ে যায়, সে আলো দেয়

সুনাম দিগন্ত ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশ মঙ্গলবার, ২৪ জুন, ২০২৫
  • ১৪৩ বার পড়া হয়েছে
২০৩

রেজাউল করিম কাপ্তান

এ সমাজ তথা পরিবারে জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা দীর্ঘদিন কেউই ধরে রাখতে পারেনি, আপনিও পারবেন না! বিস্ময় হওয়ার কিছুই নেই।এটাই চরম বাস্তব। এবং এই চরম বাস্তবতাকে আপনি উপেক্ষা করার কোন সুযোগ নেই । কারণ এ সমাজের জন্য আপনি রাত দিন অতন্দ্র প্রহরী হয়ে কাজ করলেও আপনার উপর মিথ্যা তকমা যোগ হবে এবং সুবিধাবাদী স্বার্থবাদী সহ অসংখ্য-অগণিত শব্দবাণ ছুড়ে আপনাকে কলুষিত করার চেষ্টা করা হবে। এবং আপনার কৃতিত্বের যথাযথ মূল্যায়ন ও কৃতজ্ঞতায় গুটিকয়েকজন ছাড়া কেউই আপনাকে যথাযথ মূল্যায়ন করবে না। বরং আপনার প্রাপ্য থেকেও আপনাকে বঞ্চিত অপচেষ্টা করবে। কখনোই তারা আপনাকে উচ্চাসনে ভূষিত করার মানসিকতা দেখাবে না। তারা শুধু তাদের প্রয়োজনে আপনাকে মাথায় তুলে নাচতে এবং তাদের প্রয়োজনে আপনাকে মাথা থেকে ফেলে দিতে একটুও কুন্ঠাবোধ করবেন না। অথচ আপনি আপনার পরিবার সন্তান সন্ততির জন্য যেটুকু সময় বরাদ্দ রেখেছেন , এর চেয়েও বেশি সময় বরাদ্দ রেখেছেন এ সমাজ উন্নয়নের জন্য। কিন্তু এ সমাজ আপনাকে কখনো এভাবে মূল্যায়িত করবেনা। বরং যেকোনো সময় খাদে ফেলতে একটুও দ্বিধাবোধ করবে না। অথচ আপনি ভাবনাহীন ক্লান্তিহীন শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন এ সমাজকে উন্নত করার জন্য, সুবিধা বঞ্চিতদের সুবিধা পাইয়ে দেবার জন্য। কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাবে তাদের জন্য হিউজ পরিমাণ সুবিধা করতে গিয়ে একটু অসুবিধা হলেই তারা আপনার দিকে চোখ রাঙিয়ে তাদের অধিকার আদায়ের সোচ্চার হয়ে উঠবে। অথচ এটা তাদের অধিকার ছিলনা বরং আপনি তাদেরকে কিছু একটা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা এবং সহানুভূতি দেখাতে চাচ্ছিলেন। অথচ তারা এটা তাদের অধিকার ভেবে কতই না খারাপ ব্যবহার করবে আপনার সাথে। এসব কিছু জানার পর আপনার মনে হবে তাহলে আমি এ সমাজের জন্য কেন এমনটি করব? কেন দিব আমার সব অস্তিত্বের জ্বলাঞ্জলি ?
তাহলে কি এ সমাজের মানুষের উপকার করা ছেড়ে দেবেন? জি,না! কেননা সামাজিক কর্মকান্ডগুলো আপনার জন্য অথবা কারো জন্যই থেমে থাকেনা। আপনি করছেন না ,আপনি করবেন না, আপনি বঞ্চিত হবেন কিন্তু সমাজের কাজগুলো সামাজিকভাবেই কারো না কারো নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে।। শুধু পিছিয়ে যাবেন আপনি। তাহলে আপনি কেন পিছিয়ে যাবেন!প্রশ্ন থেকেই যায়?এসব কিছু জানার পরেও এসব কিছু হওয়ার পরেও কেন এগুলো করবেন?আসলে আপনি না করলেও যেহেতু কেউ না কেউ, কোনো না কোনো একজন করছে তাহলে বোঝা যাচ্ছে সমাজের কাজগুলো কারো জন্য থেমে থাকেনা। তাহলে আপনি কেন পিছিয়ে যাবেন,পিছিয়ে থাকবেন? অবশ্যই না। আপনি আপনার সততার বলে বলিয়ান হয়ে ন্যায়সংগতভাবে সমাজের অপসংস্কৃতি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপনার অবস্থান সোচ্চার রাখুন।কেননা এ সমাজের কিছু মানুষ প্রতিহিংসা ও আক্রোশে আপনাকে, আপনার অবদানকে অস্বীকার করলেও আপনার কিছু কর্মকান্ড যেগুলো সবসময়ই দৃষ্টান্ত হয়ে এ সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকবে। নিন্দুকদের দীর্ঘশ্বাসের কারণ হবে, সুশীলদের বাহবা পাবে। আর আপনি এগিয়ে গেলে আর কেউ একজন পিছিয়ে গেছেন বললে অথবা সমালোচনা করলে,আপনাকে কেউ পিছিয়ে দিতে পারবে না।আপনি এগিয়ে যাচ্ছেন মানেই এগিয়ে যাচ্ছে। আপনার উদ্দেশ্য যদি মহৎ হয় ইনশাআল্লাহ, আপনি আপনার স্বপ্নের চুড়ায় অবস্থান করবেন অচিরেই। কারণ লোকজন আপনাকে অস্বীকার ও প্রতিহিংসা করলেও আপনার কর্ম কখনোই আপনাকে তার প্রতিদান দিতে দ্বিধাবোধ করবে না। সর্বোপরি মহান আল্লাহর অনুগ্রহ আপনার উপর বর্ষিত হবেই হবে। আপনি বেঁচে থাকবেন আপামর জনতার হৃদয়ে হৃদয়ে। তাই পোড়ে গিয়েও আলো দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত থাকুক,স্বীকৃতির কোন প্রয়োজন নেই। কেউ যথোপযুক্ত প্রতিদান না দিলেও যিনি প্রতিদান দেওয়ার মালিক, সমগ্র বিশ্বের অধিপতি তিনিই আপনাকে এমন প্রতিদান দিবেন,দেখবেন একদিন প্রতিদান পাওয়ার খুশিতে আপনার মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। প্রভুর কৃতজ্ঞতায় অন্তর থেকে বের হয়ে আসবে আলহামদুলিল্লাহ।

লেখক: সভাপতি, সমাজ সুরক্ষা ফাউন্ডেশন, সহ-সভাপতি ইউএসএ বাংলা আন্তর্জাতিক সাহিত্য ফোরাম।

 

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরণের আরও সংবাদ
themesba-lates1749691102