বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
শান্তিগঞ্জে ২০০৬ সালের লগি-বৈঠার আঘাতে শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য-পুষ্টি উন্নয়নে কর্মশালা সুনামগঞ্জের হালুয়ারঘাট এলাকায় সাংবাদিকতার পরিচয়ে হাসান আলীর বিরুদ্ধে চাদাঁবাজির অভিযোগে এলাকাবাসির মানববন্ধন বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে ধর্মপাশায় র্যালি ও আলোচনা সভা যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত জামালগঞ্জে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত, অপরাধ দমনে জোর ঝিকরগাছায় শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ৬ নভেম্বর। সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে শান্তিগঞ্জে মানববন্ধন উন্নত ও বৈষম্যহীন ভাটিপাড়া ইউনিয়ন গড়তে কাজ করে যাব—নিয়াজ মাহমুদ রিপন শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা

প্রতিষ্ঠাতা বিতর্কে আলোচিত কোওর বাজার উচ্চ বিদ্যালয়

সুনাম দিগন্ত ডেস্ক
  • সংবাদ প্রকাশ মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১২৫ বার পড়া হয়েছে
১৬৫

ডেস্ক রিপোর্ট:

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ১০নং পশ্চিম আলীরগাঁও ইউনিয়নের কোওর বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করলেন বিতর্কিত আওয়ামী ডেভিল নামে খ্যাত প্রধান শিক্ষক নিত্যানন্দ দাস।

জানা যায়,অত্র এলাকার কৃতি সন্তান খুর্দা মৌজার জুজমহল গ্রামের মরহুম ডাক্তার শামসুদ্দিন কোওর বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা। এলাকাসহ পুরো গোয়াইনঘাট বাসী জানেন সেই কথা কিন্তু আওয়ামী ডেভিল বাবু নিত্যানন্দ এবার সুকৌশলে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে আত্মা প্রকাশ করছেন।

আগামী ৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার উনার কর্মজীবনের শেষ কর্ম দিবসে ছাত্রলীগ, যুবলীগ এবং আওয়ামীলীগের উদ্যোগে আয়োজন করতে যাচ্ছেন জমকালো অনুষ্ঠান । এতে বাবু নিত্যানন্দকে প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক হিসেবে আখ্যায়িত করে তৈরি করা হয়েছে ব্যানার, ফেস্টুন, ক্রেষ্ট এবং দাওয়াত নামা সহ বিভিন্ন সম্মাননা স্মারক। এ নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, আওয়ামীলীগকে পূর্ণবাসনের জন্য কৌশলগত এই আয়োজন। স্হানীয় গন্যমান্য বিএনপি বা জামায়াতের কাউকে অতিথি না করে কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। সুক্ষ্ম বুদ্ধি খাটিয়ে সুকৌশলে শিক্ষার্থী,ও এলাকাবাসীকে আয়োজক কমিটি বানিয়ে ফ্যাসিস্টরা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন।
তিনি একজন আপাদমস্তক দূর্নীতিগ্রস্থ ও চাপাবাজ লোক। অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে অদ্যাবধি তিনি লাগামহীন অনিয়ম ও দুর্নীতি করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে ২০০৮ সালে যখন ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে একজন প্রধান শিক্ষক হওয়া স্বত্তেও তিনি প্রকাশ্যে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। বিভিন্ন সভা সমাবেশে তিনি নিজে উপস্থিত থাকতেন এবং বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে উপস্থিত করতে বাধ্য করতেন। লেখাপড়ার পরিবেশ বলতে স্কুলে কিছু নেই। মোটা অংকের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তিনি ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে ম্যানেজ করে অযোগ্য এবং অদক্ষ শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন এবং একটা মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় দেশের বিভির প্রান্ত থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বী লোক নিয়োগ দিয়েছেন। তিনজন শিক্ষক ব্যতিত সবাই হিন্দু ধর্মাবলম্বী। আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে জড়িত থাকার সুবাদে এমপির কাছ থেকে বিভিন্ন বড় অংকের বাজেট এনে কোন কাজ না করে নিজের বাড়ি ও প্রচুর জায়গাজমি কিনেছেন।
০১/০১/১৯৮৮ সালে স্কুল স্থাপিত হয়েছিল কিন্তু সেই সময়ে নিত্যানন্দ ছিলেন তৃতীয় বিভাগে এইচএসসি পাস। প্রধান শিক্ষক হওয়ার কাম্য যোগ্যতা লাগে বিএ বিএড পাস। তিনি ১৯৯৪ সালে তৃতীয় বিভাগে বিএ পাস করেন! তখনো স্কুল এমপিও ভুক্ত হয়নি।

খবর নিয়ে জানা যায়, আব্দুন নূর নামের এক শিক্ষককে অস্থায়ী প্রধান বানিয়ে স্কুলের স্বীকৃতি/অনুমোদন আনা হয়। পরবর্তীতে তিনি বিএ বিএড পাস করেন কমিটিকে মেনেজ করে এলাকার সন্তান হিসেবে প্রধান শিক্ষক হিসেবে উনি নিয়োগ লাভ করেন। ১৯৯৬ সালের ৯ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠাতা ডাক্তার শামসুদ্দিন সাহেব মারা যাওয়ার পর তিনি এক আধিপত্য বিস্তার করে আসছেন এবং নিজেকে সর্বেসর্বা মনে করেন। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে আওয়ামী ডেভিল ও সাধারণ জনগণের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়েছে এবং বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু হতে পারে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি প্রয়োজন, নচেৎ মারামারিসহ বড় দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে।
তাহলে কীভাবে তিনি প্রতিষ্ঠাতা বা প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান শিক্ষক হন?

সর্বশেষ সংবাদ পেতে চোখ রাখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরণের আরও সংবাদ
themesba-lates1749691102