
নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি:
শেরপুরের নকলা উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার দরিদ্র ও সল্প আয়ের ১০ হাজার ৫১৭টি পরিবারের মাঝে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর ন্যায্যমূল্যের পণ্য বিক্রি শুরু হয়েছে।
বিতরণের অংশ হিসেবে শুক্রবার সকালে উপজেলার বানেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে ন্যায্যমূল্যের পণ্য ক্রয়ের স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী ৯১৪টি পরিবারের মাঝে টিসিবি’র পণ্য বিক্রি করা হয়।
এসময় ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর ডিলার মো. শহিদ মিয়া, তদারককারী কর্মকর্তা ও উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা নাজমুন নাহার, ৫নং বানেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল হামিদ, গ্রামপুলিশ মো. মুক্তার হোসেন, আব্দুল গফুর, মো. রূপচাঁন, ছাইদুল ইসলাম ও মাহবুর রহমানসহ ইউপি সদস্যগন, স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সুবিধাভোগী পরিবারের নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
১০ মে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ের (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখা) পণ্য চাহিদার তালিকা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মোট ১০ হাজার ৫১৭টি পরিবারকে ন্যায্যমূল্যে টিসিবি পণ্য ক্রয়ের সুবিধাভোগীর আওতায় আনা হয়েছে। এরমধ্যে, পৌরসভার ২,৮০৩টি পরিবার, ১নং গণপদ্দী ইউনিয়নের ১,০৪৬টি পরিবার, ২নং নকলা ইউনিয়নের ৭০১টি, ৩নং উরফা ইউনিয়নের ৯৫৭টি, ৪নং গৌড়দ্বার ইউনিয়নের ৫৭৯টি, ৫নং বানেশ্বর্দী ইউনিয়নের ৯১৪টি পরিবার, ৬নং পাঠাকাটা ইউনিয়নের ৮২১টি, ৭নং টালকী ইউনিয়নের ৮৮৯টি, ৮নং চরঅষ্টধর ইউনিয়নের ৯৬৫টি ও ৯নং চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের ৮৪২টি পরিবারকে এই সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে।
মেসার্স শহীদ স্টোরের স্বত্বাধিকারী মো. শহিদ মিয়া জানান, ঈদুল আযহা উপলক্ষে দরিদ্র ও সল্প আয়ের মানুষের মাঝে সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ভ্রাম্যমান ট্রাকসেল কার্যক্রম পরিচালনা করার কারনে মে মাসের চাহিদার বরাদ্দকৃত পণ্য তখন বিক্রি করা হয়নি। তবে এখন ন্যায্যমূল্যে নিত্যপণ্য ক্রয় করতে পেরে দরিদ্র ও সল্প আয়ের পরিবারের লোকজন খুশি বলে তিনি জানান।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন শামীম ও তদারককারী কর্মকর্তা ও উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা নাজমুন নাহারসহ সংশ্লিষ্ট অনেকে জানান ন্যায্যমূল্যের পণ্য ক্রয়ের স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী দরিদ্র ও সল্প আয়ের পরিবারের মাঝে বরাবরই নির্ধারিত সময়ে পণ্য বিক্রি করা হয়।