শেরপুর জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন-এঁর মানবিক সহায়তার বদৌলতে সদর উপজেলার চাপাতলী এলাকার মো. জহুরুল ইসলাম নামে একজন অসহায় ভ্যানগাড়ি চালকের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। বুধবার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে জেলা প্রশাসক নিজে অসহায় দরিদ্র চালকের হাতে একটি নতুন ভ্যানগাড়ি তুলেদেন।
অসহায় ও কর্মক্ষম ব্যক্তিদের নিজ উদ্যোগে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে এ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। পুরাতন ভ্যানগাড়ি চুরি হয়ে যাওয়ার পরে জেলা প্রশাসনের সহায়তায় নতুন একটি ভ্যানগাড়ি পেয়ে অসহায় চালকের মুখে হাসি ফুটে উঠে; যা দেখে খুশি হন উপস্থিত সবাই।
এসময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে কর্মরত বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ পুলিশ বিভাগের লোকজন, সুবিধাভোগী ভ্যানগাড়ি চালক ও তার পরিবারের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন জানান, দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে অসহায় ও কর্মক্ষম ব্যক্তিদের স্বাবলম্বী করে তুলতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালিত হয়ে আসছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।
এতে উপকারভোগী নিজে কাজ করে আয়-রোজগারের মাধ্যমে পরিবারে সুখ-শান্তি ফিরিয়ে আনার সুযোগ সৃষ্টি হলো বলে সবাই মনে করছেন। জেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগকে মানবিক সহায়তার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সবপেশা শ্রেণির লোকজন।
উল্লেখ্য, জেলা প্রশাসকের নিয়মিত গনশুনানিতে গত একমাস আগে শেরপুর সদর উপজেলার চাপাতলী এলাকার বাসিন্দা দরিদ্র ভ্যানগাড়ি চালক জহুরুল ইসলামের গাড়িটি চুরি হয়েগেছে বলে জানানো হয়। হৃদয়বিদারক ঘটনাটি শুনে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে একটি ভ্যানগাড়ি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন মানবিক জেলা প্রশাসক মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন। ওই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নিজ উদ্যোগে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ওই অসহায় ও কর্মক্ষম ভ্যানগাড়ি চালককে বুধবার এ মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়।