শেরপুরের নকলায় ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সর্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে নকলা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় উপজেলার শীর্ষে এবং তলানিতে কলাপাড়া মোজাকান্দা মিলেনিয়াম উচ্চ বিদ্যালয়।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, নকলা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষার্থী ছিলো ১৬০ জন, এরমধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১৩৩ জন, সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৭ জন ও পাসের হার ৮৩.১২% এবং কলাপাড়া মোজাকান্দা মিলেনিয়াম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষার্থী ছিলো ৪৩ জন, এরমধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৫ জন, কেউ জিপিএ-৫ পায়নি ও পাসের হার ১১.৬৩%।

তথ্য মতে, উপজেলার দ্বিতীয় শীর্ষ স্থানে রয়েছে নকলা মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়ের মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ১৩১ জন, এরমধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১০৭ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ জন ও পাসের হার ৮১.৬৮% এবং তলানির দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেদিশারী উচ্চ বিদ্যালয়। এখানে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ৮১ জন, এরমধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১৪ জন, কেউ জিপিএ-৫ পায়নি, পাসের হার ১৭.২৮%।

উল্লেখ্য, উপজেলার ২৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মোট ২ হাজার ৬৪৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয় ১ হাজার ৫৩৩ জন। মোট জিপিএ-৫ অর্জন করে ৮৯ জন। উপজেলায় এসএসসিতে গড় পাসের হার ৫৭.৮৯%।

অন্যদিকে, ভোকেশনাল শাখার ফলাফলেও শীর্ষে রয়েছে নকলা সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। এখানে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ৬৬ জন, কৃতকার্য হয়েছে ৪৬ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন, পাসের হার ৬৯.৭০%। সর্বনিম্নে রয়েছে ধুকুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসা। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ৬ জন, কৃতকার্য হয়েছে ২ জন, কেউ জিপিএ-৫ পায়নি, পাসের হার ৩৩.৩৩%।

তথ্য মতে, উপজেলার ৪টি ভোকেশনাল শাখার প্রতিষ্ঠান হতে মোট ১৪৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয় ৮০ জন, জিপিএ-৫ অর্জন করে ১ জন, গড় পাসের হার ৫৩.৬৯%। ভোকেশনাল শাখার ফলাফলে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ধনাকুশা উচ্চ বিদ্যালয়, ৬৯ জনের মধ্যে পাস করে ২৮ জন এবং তৃতীয় স্থানে আছে হাজী তোজাম্মেল হক টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট, এখানে ৮ জনের মধ্যে পাস করে ৪ জন।