মো. শাহীন আলম, নিজস্ব প্রতিবেদক:

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় কন্যা শিশু নির্যাতন, হয়রানি ও নারী সহিংসতা প্রতিরোধ, মশক নিধন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শিল্পী রাণী মোদক।

সভায় বিষয়ভিত্তিক বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিনহাজুল ইসলাম, জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বন্দে আলী, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল বাতেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন কুমার সাহা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পীযূষ কান্তি মজুমদার, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা শেখ আজগার আলী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আম্বিয়া আহমেদ, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ মো. শফিকুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মালিক, সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. কামাল হোসেন, সাচনা বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মাসুক মিয়া এবং ভীমখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান তালুকদার।

এ সময় বক্তব্য দেন জামালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. শাহীন আলম, সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুল আহাদ ও তৌহিদ চৌধুরী প্রদীপ।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জামালগঞ্জ সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কাজল চন্দ্র সাহা, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা খালেদ আহমদ, জামালগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিধান ভূষণ চক্রবর্তী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. শাহজাহান, নারী বিষয়ক এনজিও সুশীলনের উপজেলা সমন্বয়কারী রহমত আরা শারমীন, গ্রাম আদালতের উপজেলা সমন্বয়কারী হাফছা রহমানসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

বক্তারা বলেন, কন্যা শিশুরা সমাজের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ এবং আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদের প্রতি যেকোনো ধরনের নির্যাতন, হয়রানি ও বৈষম্য রোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রশাসন এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। কন্যা শিশুদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইনের যথাযথ প্রয়োগের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা।

আলোচনা সভায় মশক নিধনে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি, সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ ও স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।