☞ আশ্রাফুল আলম মোঃ নূরুল হুদা
মানুষ সামাজিক জীব। সমাজবদ্ধ হয়ে জীবন চলমান। এ হিসাবে বহমান সমাজে যতগুলো কাজ সংগঠিত হয় প্রত্যেকটা কাজের সাথে ২ টা ওয়ার্ড জড়িত।
একটা আবেগ আরেকটা বিবেক।
আবেগ হলো উপস্থিত কোন ঘটনার ভালো মন্দের সংবেদনশীলতা বা ঘটনার প্রেক্ষিত রিদয়ের নীরব উচ্ছ্বাস হঠাৎ নাড়া দেওয়া। এতে মনের ক্রিয়া ঘটনার সঠিক তথ্য আউট করার সুযোগ পায়না। সে উপস্থিত অবস্থাকে চূড়ান্ত ক্রিয়ায় রুপ দেয়। যা সময়ের ব্যবধানে অনেক সময় ব্যক্তি নিজেই আক্রান্ত হয়। কারণ এর সঠিক বিশ্লেষণ, সঠিক ব্যাখ্যা পরিষ্কার হয়নি।
যে কারণেই আবেগ নামক শব্দটি একেবারেই ক্ষণস্থায়ী। যা
কোন ব্যক্তিকে সঠিক মাত্রায় পৌঁছানোর যোগ্যতা রাখেনা।
অপরদিকে বিবেক হলো ব্যক্তিকে তার নিজস্ব স্বকীয়তা অর্জনে যথাযথ কাজ করে। সে ঘটনায় আপ্লুত না হয়ে ঘটনার তথ্যকে সঠিকভাবে পর্যালোচনা করে এর মূল রহস্য উদঘাটন করে সত্যকে কাজে লাগায়।
যে দিকে কল্যাণ, সুবিধা, মঙ্গল ও অর্থবহ সে দিকে সিদ্ধান্ত নেয়। তবে ক্ষেত্রমতে কিছু কিছু সময় আবেগ ও বিবেক এক হয়েও কাজ করে সুফল পেতে পারে। তবে তা খুবই ব্যতিক্রম।
যে কারণেই ইতিহাসের স্বর্ণালী অধ্যায় পর্যালোচনা করলে দেখা যায়
নিজের, সমাজেের, এলাকার, দেশের বা যে কোন সেক্টরেই জয়ী হিসাবে সেলিব্রিটি হয়েছেন তাদের কাজে সিদ্ধান্ত হলো বিবেক।
আর আবেগ নিয়ে যারা কাজ করেছেন তাদের বহুলাংশই জীবনযুদ্ধে হারিয়ে নি’খুজ হয়েছেন।
তাই আবেগ ও বিবেক এ ২ শব্দের সঠিক মূল্যায়ন করে ক্ষেত্র ও সিটুয়েশন বুঝে সামনে আগানোর পাশাপাশি
আমাদের জীবনে আগামীতে যতগুলো কাজ আসবে আমরা প্রত্যেকেই সকল কাজকে আবেগ দিয়ে নয়,
বিবেকের সঠিক মূল্যায়নে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করি তাহলেই সফল হবো ইনশাআল্লাহ।
লেখক: সিনিয়র শিক্ষক,বড় দল উচ্চ বিদ্যালয়, তাহিরপুর,সুনামগঞ্জ।