স্টাফ রিপোর্টার::

বিএনপির সংগঠক ও সমাজসেবক নেতা শেখ সাদেক আহমদ দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে প্রস্তুত, তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার অপেক্ষায় সিলেট-৪ (গোয়াইনঘাট, জৈন্তাপুর ও কোম্পানীগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই আসনটি দলীয় জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শেখ সাদেক আহমদ, যিনি রাজনীতিক, সংগঠক ও সমাজসেবক হিসেবে পরিচিত, নিজেকে এই আসনের এমপি প্রার্থী হিসেবে প্রস্তাব করেছেন। জৈন্তাপুর উপজেলার ৬নং চিকনাগুল ইউনিয়নের কৃতি সন্তান হিসেবে তিনি ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়। ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন দায়িত্বে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি দলের সংগঠন ও কর্মসূচিতে অবিচল ভূমিকা রেখেছেন।

দেশত্যাগের পর যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালে তিনি যুক্তরাজ্য ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক এবং লন্ডন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি আরাফাত রহমান খোকা মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সদস্য এবং অনলাইন নিউজমাধ্যম সংগ্রাম টিভির প্রধান নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে সক্রিয়।

শেখ সাদেক আহমদ রাজনীতিকে মানবতার সেবা হিসেবে দেখেন। তিনি দেশের গণতন্ত্র ও উন্নয়নের সঙ্গে জড়িত হয়ে জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জের মানুষের সুখ-দুঃখের পাশে নিজেকে যুক্ত রেখেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, ভোটের মাধ্যমে জনগণকে ক্ষমতায় আনাই দেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার মূল মাধ্যম।

তিনি বলেন, নির্বাচনে যদি ভোটকেন্দ্রে জনসাধারণ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে এবং কোনো ষড়যন্ত্র না হয়, তাহলে বিএনপির বিজয় কোনোভাবেই আটকানো যাবে না। তিনি দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের জনবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

শেখ সাদেক আহমদ তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে দেশের জন্য সময়োপযোগী ও জরুরি বলে মনে করেন। তিনি বলেন, তার নেতৃত্বে তৃণমূলে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হবে।

ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রদলের মাধ্যমে রাজনীতিতে যোগ দেন। গত ১৭ বছর ধরে তিনি আওয়ামী লীগের দমন-পীড়ন এবং গণতন্ত্র হরণের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন।

১৯৯০ সালের স্বৈরশাসক এরশাদের পতনের আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০০৭ সালের রাজনৈতিক সংকটকালীন পরিস্থিতি পর্যন্ত তিনি রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিশেষ করে ২০০৭ সালে তারেক রহমানের নিরাপত্তাহীন অবস্থায় তিনি সিলেটের বিভিন্ন বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়েছেন।

শেখ সাদেক আহমদ শহীদ জিয়ার আদর্শে দলকে সুসংগঠিত করা এবং জাতীয় নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বকে শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি মনে করেন, মানবতার কল্যাণের জন্য রাজনীতি গ্রহণ করাই তার মূল ব্রত।

তিনি উল্লেখ করেছেন, সিলেট ৪ আসনের দীর্ঘদিন ধরে কোনো স্থানীয় প্রার্থী না থাকায় এই এলাকায় কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি। তৃণমূল নেতাকর্মীদেরও যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি। এই আসনটি তিনি দলের জন্য শক্তিশালী ঘাটি হিসেবে গড়ে তুলতে চান। তিনটি উপজেলার মানুষের সুখ-দুঃখের পাশে দাঁড়ানোই তার জীবনের মূল লক্ষ্য।

শেখ সাদেক আহমদ শেষ করেন সকলের দোয়া ও সহযোগিতা প্রত্যাশার মাধ্যমে, উল্লেখ করে যে, জনমানুষের পাশে থেকে দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি সর্বদা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা, ত্যাগ ও শক্তি দিয়ে প্রস্তুত থাকবেন। লন্ডনের প্রবাসী নেতৃবৃন্দও তাকে একজন দৃঢ় এবং বিশ্বাসযোগ্য নেতা হিসেবে দেখছেন, যা তাকে সিলেট ৪ আসনের আগামী দিনের সম্ভাব্য কান্ডারী হিসেবে তুলে ধরে।